ব্যবহৃত সূত্র
মোট সম্পদ = মোট সম্পত্তি − মোট দায়। সম্পত্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তরল সম্পত্তি (নগদ, ফিক্সড ডিপোজিট), বিনিয়োগ সম্পত্তি (মিউচুয়াল ফান্ড, স্টক, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইক্যুইটি প্রভিডেন্ট ফান্ড, নন-প্রফিট সেভিংস), স্থাবর সম্পত্তি (সম্পত্তি, সোনা) এবং অন্যান্য সম্পত্তি। দায়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সমস্ত বকেয়া ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের দেনা। ঋণ-সম্পদ অনুপাত = (মোট দায় / মোট সম্পত্তি) × 100 — এই অনুপাত যত কম হবে, তত ভালো।
উদাহরণ গণনা
সম্পদ: নগদ 1 লক্ষ টাকা + ফিক্সড ডিপোজিট (FD) 2 লক্ষ টাকা + মিউচুয়াল ফান্ড (MF) 3 লক্ষ টাকা + পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF)/এক্সপোজার প্রভিডেন্ট ফান্ড (EPF) 5 লক্ষ টাকা + সম্পত্তি 30 লক্ষ টাকা + সোনা 2 লক্ষ টাকা = 43 লক্ষ টাকা। দায়: গৃহ ঋণ 15 লক্ষ টাকা + ব্যক্তিগত ঋণ 1 লক্ষ টাকা = 16 লক্ষ টাকা। মোট সম্পদ = 27 লক্ষ টাকা। ঋণ-সম্পদ অনুপাত = 37.2%।
এই ক্যালকুলেটরটি কীভাবে ব্যবহার করবেন
- প্রতিটি সম্পদ বিভাগের বর্তমান মূল্য লিখুন — বাজার মূল্যের ক্ষেত্রে সৎ থাকুন, ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে নয়।
- সমস্ত বকেয়া ঋণের পরিমাণ লিখুন — গৃহ ঋণ, ব্যক্তিগত ঋণ, গাড়ির ঋণ, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া।
- আপনার মোট সম্পদ, তরল সম্পদ, মোট দায়, নীট মূল্য, তরল নীট মূল্য এবং ঋণ-সম্পদ অনুপাত পড়ুন।
- আপনার আর্থিক অগ্রগতি নিরীক্ষণ করতে প্রতি 6-12 মাস অন্তর এটি ট্র্যাক করুন।
গুরুত্বপূর্ণ অনুমান
- সমস্ত মূল্য বর্তমান বাজার মূল্যে প্রবেশ করানো হয়, মূল ক্রয়মূল্যে নয় (বিশেষ করে সম্পত্তি, সোনা এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে)।
- সম্পত্তির মতো সহজে নগদায়ন করা যায় না এমন সম্পদ আনুমানিক বাজার মূল্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয় — প্রকৃত প্রাপ্তি ভিন্ন হতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র। পূর্ণাঙ্গ আর্থিক পরিকল্পনার জন্য একজন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।
সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন
- বর্তমান বাজার মূল্যের পরিবর্তে সম্পত্তির ক্রয়মূল্য ব্যবহার করা।
- EPF, PPF এবং NPS ব্যালেন্স অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলে যাওয়া — এগুলো বেতনভোগী কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
- প্রকৃত বকেয়া দেনার পরিবর্তে ক্রেডিট কার্ডের সীমাকেও ঋণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।
- সময়ের সাথে সাথে মোট সম্পদের হিসাব না রাখা — একটিমাত্র মুহূর্তের ছবির চেয়ে প্রবণতাটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।